পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইয়ের পাঠ ১৩-তে আমাদের প্রাচীন লোক-সংস্কৃতি ও পালা গানের কথা খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। তোমাদের নির্ধারিত পাঠ্যবইয়ের অনুশীলনীর সাথে মিলিয়ে সব Question Answer এবং ব্যাকরণের কাজগুলো নিচে দেওয়া হলো।
পাঠ ১৩ পালা গানের কথা পাঠের মূল কথা
বুবাই ছোটোবেলা থেকেই দেখে আসছে যে শ্রাবণ মাসে পাড়ার দিদা ও ঠাম্মারা কালীবাড়ির বারান্দায় বসে সুর করে 'মনসামঙ্গল' পড়েন। বাবার কাছ থেকে সে জানতে পারে, শ্রাবণ সংক্রান্তিতে মনসা পূজার আগে ১ মাস ধরে চলা এই পুথি পাঠের ঐতিহ্য কম করেও ৫০০-৬০০ বছরের পুরোনো।
বহু বছর ধরে সমাজে চলে আসছে এধরনের ব্রত, পুথি-পাঠ, পুতুল নাচ, যাত্রা-গান, কীর্তন, বরাকের বৌ নাচ কিংবা ধামাইল। এইগুলো সবই আমাদের লোক-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
মনসামঙ্গলের কাহিনিকে কেন্দ্র করে আমাদের অসমেও গড়ে উঠেছে 'ওজা-পালি' নামের এক সমৃদ্ধ লোক-নাট্য ধারা। 'সুকবি বল্লভ' নারায়ণদেবের পদ্মাপুরাণের আখ্যান নিয়ে তৈরি এই ধারাকে বলা হয় সুকনান্নি ওজা-পালি।
অন্যদিকে বঙ্গদেশে জনপ্রিয় ছিল 'মনসার ভাসান', মঙ্গলচণ্ডীর পূজার গীত, মালদা জেলার 'গম্ভীরা' উৎসব এবং কৃষ্ণলীলা বিষয়ক ঝুমুর ও কালীয় দমন। আগেকার দিনে রামায়ণ, মহাভারত ও মঙ্গল কাব্যের কাহিনি গান ও ছড়ার মাধ্যমে পাঁচালি-ছন্দে গাওয়া হতো। সেগুলি থেকে পরবর্তীকালে বাংলায় যাত্রাগানের জন্ম হয়।
পাঠ ১৩ পালা গানের কথা প্রশ্ন উত্তর (অনুশীলনীর সমাধান)
ক) পাঠভিত্তিক ক্রিয়াকলাপ: সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও
(ক) 'মনসামঙ্গল' কোন মাসে পাঠ করা হয়? উত্তর: শ্রাবণ মাসে 'মনসামঙ্গল' পাঠ করা হয়।
(খ) লোক-সংস্কৃতির কয়েকটি অঙ্গের নাম বলো? উত্তর: লোক-সংস্কৃতির কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অঙ্গ হলো পুতুল নাচ, যাত্রা-গান, কীর্তন, চড়কের শিব-কালীর সং, বরাকের বৌ নাচ এবং ধামাইল।
(গ) 'মনসামঙ্গলে' কার কার কাহিনি বিবৃত? উত্তর: 'মনসামঙ্গলে' সাপের দেবী মনসা, চাঁদ সদাগর এবং বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি বিবৃত রয়েছে।
(ঘ) 'সুকনান্নি' বলতে কাকে বোঝানো হয়? উত্তর: 'সুকনান্নি' বলতে 'সুকবি বল্লভ' নারায়ণদেবকে বোঝানো হয়।
(ঙ) 'সুকনান্নি' ওজা-পালিতে কোন কোন দেবীর গান পরিবেশিত হয়? উত্তর: 'সুকনান্নি' ওজা-পালিতে মনসা, দুর্গা এবং কালী প্রমুখ দেবীর মাহাত্ম্য প্রকাশক গান পরিবেশিত হয়।
(চ) 'ওজা' বলতে কাকে বোঝানো হয়? উত্তর: ওজা-পালি লোক-নাট্য অনুষ্ঠানের মুখ্য পরিচালককে 'ওজা' বলা হয়। যিনি আসরে মূল পদ বা গীত পরিবেশন করেন।
(ছ) 'ওজা-পালি' আসরে ওজার প্রধান সহায়ক কে? উত্তর: 'ওজা-পালি' আসরে ওজার প্রধান সহায়ক হলেন 'দাইনা-পালি'।
(জ) 'দোহার' কাকে বলা হয়? উত্তর: পালা গান বা মঙ্গলচণ্ডীর গীতের আসরে যাঁরা মূলগায়েনকে সংগীতে সহযোগিতা করেন এবং মূল গানের পদগুলো পুনরাবৃত্তি করেন। তাঁদেরকে 'দোহার' বলা হয়।
(ঝ) 'হনুমান মুখা' কী? উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার 'গম্ভীরা' উৎসবে নৃত্য-গীতের সময় ব্যবহৃত হনুমানের মুখোশকে 'হনুমান মুখা' বলা হয়।
(ঞ) বাংলায় যাত্রাগানের উদ্ভব কোথা থেকে হয়েছিল? উত্তর: রামায়ণ-মহাভারত ও বিভিন্ন মঙ্গল কাব্যের কাহিনি নিয়ে পরিবেশিত পাঁচালি গানের অনুষ্ঠান থেকেই বাংলায় যাত্রাগানের উদ্ভব হয়েছিল।
কোনটি কার সঙ্গে সম্পর্কিত, তা রেখা টেনে মেলাও
| বাম দিক | ডান দিক (সঠিক মিল) |
|---|---|
| মনসার ভাসান | মনসামঙ্গল |
| হনুমান মুখা | গম্ভীরা |
| ধামাইল | বরাক উপত্যকা |
| ওজা-পালি | মঙ্গলচণ্ডীর গীত |
| কালীয় দমন | কৃষ্ণলীলা |
নীচের শব্দগুলোর অর্থ লেখো
- পরম্পরা: বংশানুক্রমে বা একের পর এক যা দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে।
- আখ্যান — কাহিনি বা পুরোনো কোনো ঘটনা
- ঐতিহ্য - যুগ যুগ ধরে চলে আসা কোনো সমাজের গৌরবময় রীতি বা সংস্কার
- সম্বলিত - যুক্ত বা মিশ্রিত
- মাহাত্ম্য- মহিমা বা গৌরব
উত্তর বলো ও লেখো
(ক) ওজা-পালি দলের সদস্যদের কাকে কী বলা হয়? উত্তর: ওজা-পালি দলের মূল পরিচালককে বলা হয় 'ওজা'। তাঁর প্রধান সহায়ককে বলা হয় 'দাইনা-পালি' এবং দলের বাকি সহযোগী সদস্য বা অনুচরদের 'পালি' বলা হয়।
(খ) মঙ্গলচণ্ডীর গীতের আসরের সদস্যদের কাকে কী বলা হয়? উত্তর: মঙ্গলচণ্ডীর গীতের আসরে যিনি মূল গানটি পরিবেশন করেন তাঁকে 'মূলগায়েন' বলা হয়। যাঁরা গানের পদ পুনরাবৃত্তি করে তাঁকে সাহায্য করেন তাঁদের 'দোহার' বলা হয়। যাঁরা খোল, মন্দিরা ও তানপুরা ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র বাজান তাঁদের 'বায়েন' বলা হয়।
(ঘ) 'গম্ভীরা' উৎসবে কী কী নৃত্যের আয়োজন হয়? উত্তর: মালদা জেলার 'গম্ভীরা' উৎসবের মণ্ডপে মুখোশ পরে শিব-দুর্গা, রাম-লক্ষ্মণ, ভূত-প্রেত, হনুমান এবং বুড়া-বুড়ি নৃত্য ইত্যাদি মজাদার নাচের আয়োজন করা হয়।
- ওজা-পালি: অসমের কয়েকশো বছরের পুরোনো একটি লোক-নাট্য ধারা। এতে ওজা, দাইনা-পালি এবং পালিরা মিলে নাচ, গান ও কথোপকথনের মাধ্যমে দেবী মনসা, দুর্গা ও কালীর মাহাত্ম্য এবং বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনি দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন।
- মনসার ভাসান: বঙ্গদেশে প্রচলিত এই পালা গানে শিল্পীরা বেহুলা-লখিন্দর আখ্যানের বিভিন্ন চরিত্রের পোশাক পরে আসরে নামেন। খোল ও মন্দিরার তালে শিল্পীরা নেচে-গেয়ে অভিনয় করেন।
- গম্ভীরা: পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় শিবের মহিমা প্রচারের জন্য এই উৎসব পালিত হয়। এতে শিল্পীরা হনুমান-মুখাসহ নানা রঙিন মুখোশ পরে পৌরাণিক ও সামাজিক বিষয়ে নাচ-গান পরিবেশন করেন।
- পাঁচালি গান: আগে বাংলায় রামায়ণ, মহাভারত ও মঙ্গল কাব্যের কাহিনি গান এবং ছড়ার ছন্দে আবৃত্তি করে শোনানো হতো। মূল গায়ক হাতে মন্দিরা ও চামর এবং পায়ে নূপুর পরে দোহার ও মৃদঙ্গ বাদকদের সাথে এই অনুষ্ঠান করতেন।
শূন্যস্থান পূর্ণ করো ও উৎসবের স্থান লেখো
১। শূন্যস্থান পূর্ণ করো: উত্তর: 'মনসামঙ্গলে'র কাহিনি নিয়ে অসমের সংস্কৃতিতেও গড়ে উঠেছিল এক সমৃদ্ধ পরম্পরা। সুকনান্নি অর্থাৎ 'সুকবি বল্লভ' নারায়ণদেবের 'পদ্মাপুরাণে'র আখ্যান নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল 'ওজা-পালি' লোক-নাট্যের এক বিশেষ ধারা।
- ওজা-পালি- অসমে পালিত হয়।
- চণ্ডীমঙ্গলের গীত — বাংলায় (বঙ্গদেশে) পালিত হয়।
- মনসার ভাসান - বঙ্গদেশে পালিত হয়।
- গম্ভীরা - পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় পালিত হয়।
খ. ভাষা-অধ্যয়ন (ব্যবহারিক ব্যাকরণ)
- সংক্রান্তি (ঙ্ক) = ঙ + ক — অঙ্ক, শঙ্কা
- ঐতিহ্য (হ্য) = হ + য (য-ফলা) - সহ্য, দাহ্য
- সংস্কৃতি (স্ক) = স + ক - পুরস্কার, তিরস্কার
- সুকনান্নি (ন্ন) = ন + ন - অন্ন, নবান্ন
- বল্লভ (ল্ল) = ল + ল — পল্লব, উল্লাস
- পদ্মাপুরাণ (দ্ম) = দ + ম -পদ্ম, ছদ্মবেশ
- অনুষ্ঠান (ষ্ঠ) = ষ + ঠ - পৃষ্ঠা, নিষ্ঠা
- মণ্ডপ (ণ্ড) = ণ + ড - কাণ্ড, প্রচণ্ড
- কৃষ্ণলীলা (ষ্ণ) = ষ + ণ - উষ্ণ, তৃষ্ণা
- সঞ্চালন: সঞ্চালক
- পরিবেশন — পরিবেশক
- পরিচালনা - পরিচালক
- অভিনয় - অভিনেতা
- যিনি গান করেন: গায়ক
- যিনি বাদ্যযন্ত্র বাজান- বাদক
- যিনি কোনো কিছুকে প্রকাশ করেন - প্রকাশক
- যিনি কৃষিকাজ করেন : কৃষক
- যিনি নৃত্য করেন: নর্তক (বা নৃত্যশিল্পী)
- পালা-গান: মনসা পূজার সময় গ্রামে বেহুলা-লখিন্দরের পালা-গান অনুষ্ঠিত হয়।
- ডালপালা- ঝড়ের দাপটে বাগানের বড়ো আমগাছটির অনেক ডালপালা ভেঙে পড়েছে।
- গানের পদ - ওজা-পালির আসরে ওজা প্রথমে মূল গানের পদটি সুর করে গেয়ে ওঠেন।
- পদক্ষেপ - যেকোনো কঠিন কাজে সফল হতে হলে শুরুতেই সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
- পালাবদল: ঋতুর পালাবদলে প্রকৃতিতে এখন শরতের নীল আকাশ দেখা যাচ্ছে।
- পদচিহ্ন: নদীর ভেজা বালির ওপর সকালবেলা পাখির ছোটো ছোটো পদচিহ্ন ফুটে রয়েছে।
গ. জ্ঞান-সম্প্রসারণ
১। নিজ নিজ অঞ্চলে তোমার দেখা বা শোনা যে কোনো একটি লোক-সংস্কৃতির অনুষ্ঠানের বিষয়ে বর্ণনা করো। উত্তর: আমাদের বরাক উপত্যকা ও আসামের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচলিত লোক-সংস্কৃতির অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় হলো 'ধামাইল' নাচ ও গান। গত বছর আমাদের পাড়ায় এক মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে আমি ঠাম্মা ও কাকিদের সাথে ধামাইল নাচ খুব কাছ থেকে দেখেছিলাম।
বাড়ির উঠোনে মহিলারা গোল হয়ে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে তালে তালে ঘুরে ঘুরে এই নাচ করেন। আসলে এর গানের সুর এতটাই সহজ ও প্রাণবন্ত যে শুনলে মন আনন্দে ভরে ওঠে। সবার একসঙ্গে মিলেমিশে নাচার সেই আনন্দময় দৃশ্যটি এখনও আমার মনে গেঁথে আছে।
(ক) মনসামঙ্গল: মধ্যযুগে বাংলায় দেব-দেবীর মহিমা প্রচারের জন্য যে মঙ্গল কাব্যগুলো রচিত হয়েছিল। তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো মনসামঙ্গল। মর্ত্যে সাপের দেবী মনসার পূজা প্রচারকে কেন্দ্র করে এই কাব্য গড়ে উঠেছে।
এতে শিবভক্ত চাঁদ সদাগরের সাথে দেবী মনসার বিরোধ এবং সাপের কামড়ে মৃত স্বামী লখিন্দরকে বাঁচিয়ে তোলার জন্য সতী বেহুলার অসীম সাহস ও ত্যাগের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। শ্রাবণ মাসে মন্দিরে ও বাড়িতে ভক্তিভরে এই পুথি পাঠ করা হয়।
(খ) পুতুলনাচ: পুতুলনাচ হলো আমাদের লোক-সংস্কৃতির এক অত্যন্ত পুরোনো ও মজার অভিনয় মাধ্যম। এতে সোলার তৈরি হালকা পুতুলগুলোকে কাহিনির চরিত্র অনুযায়ী সুন্দর পোশাক পরানো হয়।
পুতুলের হাত, পা, মাথা ও কোমরে কালো সুতো বাঁধা থাকে। একটি ছোটো মঞ্চের পেছনে পর্দার আড়ালে দাঁড়িয়ে দক্ষ পরিচালক সুতো টেনে পুতুলগুলোকে জীবন্ত মানুষের মতো নাচান। এছাড়াও সূত্রধার পুতুলগুলোর হয়ে সংলাপ বলেন। দর্শকদের হাসানোর জন্য এতে মাঝে মাঝে জোকার চরিত্রেরও দেখা মেলে।
ঘ. প্রকল্পের কাজ
১। কাপড় দিয়ে বা সোলা দিয়ে পুতুল তৈরি করার চেষ্টা করো এবং শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করো। উত্তর: বাড়িতে পুরোনো রঙিন কাপড়ের টুকরো, তুলো, সুতো এবং আঠা ব্যবহার করে তোমরা নিজেরাই ছোটো পুতুল বানিয়ে নিতে পারবে। এরপর ক্লাসের বন্ধুদের ও শিক্ষক-শিক্ষয়িত্রীকে দেখাতে পারো।
- খোল: মাটির তৈরি দুই মুখওয়ালা এই বাদ্যযন্ত্রটি চামড়া দিয়ে ঢাকা থাকে। কীর্তন, ভাসান গান ও মঙ্গলচণ্ডীর গীতে এটি অপরিহার্য।
- মন্দিরা — কাঁসা বা পিতলের তৈরি ছোটো দুটি বাটির মতো দেখতে এই যন্ত্রটি সুতো দিয়ে বাঁধা থাকে। ২টি অংশ পরস্পরকে ঠুকে রিনিঝিনি ছন্দে তাল রাখা হয়।
- ঢোল - কাঠ ও চামড়া দিয়ে তৈরি এই আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্রটি বিহু নাচ, পূজা এবং যেকোনো লোক-উৎসবে প্রধান বাদ্যযন্ত্র হিসেবে বাজানো হয়।
- দোতারা - কাঠ ও তার দিয়ে তৈরি এই লোকজ বাদ্যযন্ত্রটি বাউল, ভাওয়াইয়া এবং পালা গানের সুর তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- মনসামঙ্গল কাব্যের কবি: কানা হরিদত্ত (আদি কবি), বিজয়গুপ্ত, নারায়ণদেব, বিপ্রদাস পিপিলাই এবং কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি: মাণিক দত্ত, দ্বিজ মাধব এবং কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
আগের পাঠ: পাঠ ১২ চরণে প্রণাম প্রশ্নোত্তর
পরের পাঠ: পাঠ ১৪ বড়ো কে প্রশ্নোত্তর
Class 5 Bangla পালা গানের কথা পাঠে আমাদের ঐতিহ্যবাহী ওজা-পালি, মনসার ভাসান, পাঁচালি গান এবং পুতুলনাচের মতো লোক-সংস্কৃতির নানা দিক আলোচনা করা হয়েছে। খাতায় অনুশীলনীর উত্তরগুলো লেখার সময় স্থানীয় উৎসবগুলোর নাম নির্ভুলভাবে বানান করে লিখবে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন