সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ও আমার দেশের মাটি প্রশ্ন উত্তর | Class 5 Bengali Chapter 1

Class 5 Bengali Chapter 1 Question Answer

পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ‘ও আমার দেশের মাটি’ কবিতার সহজ প্রশ্ন উত্তর, শব্দার্থ, ভাষা-অধ্যয়ন এবং জ্ঞান-সম্প্রসারণ এখানে দেওয়া হলো। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবিতাটি সহজভাবে বুঝে নেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও আলাদা করে দেওয়া হয়েছে।

১. পাঠটি সহজে বুঝি

‘ও আমার দেশের মাটি’ একটি দেশপ্রেমের কবিতা। এখানে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেশের মাটিকে মায়ের মতো ভালোবেসেছেন।

কবির কাছে দেশের মাটি শুধু মাটি নয়, এই মাটির সঙ্গে মানুষের জন্ম, জীবন এবং বেঁচে থাকার সম্পর্ক রয়েছে। আমরা দেশের মাটি থেকে অনেক কিছু পাই, যেমন—অন্ন ও শীতল জল।

কবি দেশের মাটির সবুজ ও কোমল রূপের কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন, দেশের মাটির মধ্যেই সারা পৃথিবীর ছবি রয়েছে। তাই, তিনি দেশের মাটিকে শ্রদ্ধা করে মাথা নত করেছেন।

‘ও আমার দেশের মাটি’ কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কৃতজ্ঞতা। আমরা দেশের মাটি থেকে অনেক কিছু পাই, কিন্তু এই দেশের জন্য আমরা কী করছি—সেই প্রশ্নও কবি কবিতার মধ্যে তুলে ধরেছেন। তাই দেশপ্রেমের সঙ্গে নিজের দায়িত্বের কথাও এই কবিতাটির মধ্যে বোঝানো হয়েছে।

২. মূলভাব / সারাংশ

কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের দেশের মাটিকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। তাঁর কাছে দেশের মাটি মায়ের মতো, এই মাটির কাছ থেকেই আমরা অন্ন ও শীতল জল পাই।

দেশের সবুজ ও কোমল প্রকৃতি কবির মনে গভীরভাবে জায়গা করে নিয়েছে। তিনি মনে করেন, দেশের মাটির সঙ্গে সম্পূর্ণ পৃথিবীরও সম্পর্ক রয়েছে।

কিন্তু শুধু দেশের কাছ থেকে নিয়ে গেলে হবে না। দেশের জন্য আমাদের কিছু করাও দরকার—এই কথাটিই কবি কবিতার মধ্যে তুলে ধরেছেন। তিনি আক্ষেপ করেছেন যে, জীবনের অনেক সময় এমন কাজে কাটিয়েছেন, যা দেশের কোনো কাজেই লাগেনি।

তাই কবিতাটি আমাদের দেশের প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং দেশের জন্য সর্বদা কাজ করার শিক্ষা দেয়।

৩. কঠিন শব্দের সহজ অর্থ

শব্দ সহজ অর্থ
প্রণামশ্রদ্ধা জানানো
শ্যামলবরণসবুজ রঙের
মূর্তিরূপ বা চেহারা
বিশ্বময়ীসারা বিশ্বকে ধারণকারী
আঁচলশাড়ির প্রান্ত
মর্মঅন্তরের কথা
অন্নখাবার
কোমলনরম
বৃথানিষ্ফল, কোনো কাজে না লাগা
শক্তিদাতাযিনি শক্তি দেন
সর্বংসহাযিনি সবকিছু সহ্য করেন
সর্ববহাযিনি সবকিছু বহন করেন
গাঁথাগভীরভাবে যুক্ত
মাতার মাতামায়েরও মা
শীতলঠান্ডা

৪. বইয়ের সব প্রশ্নের উত্তর

ক – পাঠভিত্তিক

১। কবিতাটি শুদ্ধ এবং স্পষ্ট উচ্চারণে পড়ো ও আবৃত্তি করো।

উত্তর: এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীরা (ছাত্র-ছাত্রীরা) শিক্ষক/শিক্ষয়িত্রীর সাহায্যে নিজে অনুশীলন করবে।

২। কবিতাটি একক এবং দলীয়ভাবে গাও।

উত্তর: শিক্ষক/শিক্ষয়িত্রীর সাহায্যে ছাত্র-ছাত্রীরা কবিতাটি একক ও দলীয়ভাবে গাওয়ার অনুশীলন করতে হবে।

উত্তর দাও

(ক) কবি দেশের মাটিকে প্রণাম করছেন কেন?

উত্তর: কবি দেশের মাটিকে মায়ের মতো ভালোবাসেন ও শ্রদ্ধা করেন। তাই তিনি দেশের মাটিকে প্রণাম করেছেন।

(খ) দেশের মাটির কোন মূর্তি কবির মনে গাঁথা রয়েছে?

উত্তর: দেশের মাটির শ্যামলবরণ ও কোমল মূর্তি কবির মনে গাঁথা রয়েছে।

(সহজ ব্যাখ্যা: এখানে ‘শ্যামলবরণ’ বলতে বাংলার সবুজ প্রকৃতি এবং ‘কোমল মূর্তি’ বলতে দেশের শান্ত ও নরম রূপকে বোঝানো হয়েছে। দেশের এই অপরূপ সৌন্দর্য কবির হৃদয়ের গভীরে চিরদিনের জন্য মিশে আছে।)

(গ) দেশের মাটি আমাদের কী কী দিয়েছে?

উত্তর: দেশের মাটি আমাদের অন্ন ও শীতল জল দিয়েছে।

(ঘ) কবি দেশের মাটিকে “মাতার মাতা” বলেছেন কেন?

উত্তর: দেশের মাটি আমাদের অনেক কিছু দেয় এবং আমাদের সবকিছু সহ্য ও বহন করে। কবি দেশের মাটিকে “সকল-সহা সকল-বহা” বলেছেন। তাই তিনি দেশের মাটিকে “মাতার মাতা” বলেছেন।

শূন্যস্থান পূরণ করো

ক্রমিক শূন্যস্থান পূরণ করো উত্তর
(ক) তোমাতে ________, তোমাতে ________ আঁচল পাতা।। বিশ্বময়ীর, বিশ্বমায়ের
(খ) তুমি যে ________ সকল-বহা মাতার ________।। সকল-সহা, মাতা
(গ) আমার ________ গেল ________ কাজে, জনম, বৃথা
(ঘ) আমি কাটানু ________ মাঝে— দিন ঘরের

৬. পংক্তির তাৎপর্য

(ক) “তোমাতে বিশ্বময়ীর, তোমাতে বিশ্বমায়ের আঁচল পাতা।”

সহজ অর্থ: কবির মনে হয়েছে, দেশের মাটির মধ্যেই যেন সারা বিশ্বের ছবি রয়েছে। দেশ যেন বিশ্বমায়ের আঁচলের মতো সবাইকে নিজের মধ্যে ধরে রেখেছে।

(খ) “ও মা, অনেক তোমার খেয়েছি গো, অনেক নিয়েছি মা—”

সহজ অর্থ: আমরা দেশের কাছ থেকে অনেক কিছু পাই। দেশের মাটি আমাদের অন্ন ও শীতল জল দিয়েছে। তাই কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে দেশের কাছে আমাদের অনেক ঋণ রয়েছে।

(গ) “তুমি বৃথা আমায় শক্তি দিলে শক্তিদাতা।”

সহজ অর্থ: কবি আক্ষেপ করেছেন যে, তিনি যে শক্তি পেয়েছিলেন, তা দেশের কাজে যথেষ্টভাবে লাগাতে পারেননি। তাই সেই শক্তি তাঁর কাছে বৃথা হয়েছে।

৭. কবিতার মূল কথাগুলো লেখো

উত্তর: কবি দেশের মাটিকে মায়ের মতো ভালোবেসেছেন এবং তাকে প্রণাম করেছেন। দেশের মাটির সবুজ ও কোমল রূপ কবির মনে গেঁথে আছে। এই মাটি আমাদের অন্ন ও শীতল জল দেয়।

কবি মনে করেন, দেশের মাটির সঙ্গে সারা বিশ্বেরও সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু আমরা দেশ থেকে অনেক কিছু নিয়েও দেশের জন্য যথেষ্ট কিছু করি না। তাই কবি নিজের জীবনের কিছু সময় বৃথা চলে যাওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, জীবনে শক্তি পেয়েও তিনি সেই শক্তিকে দেশের কাজে যথেষ্টভাবে লাগাতে পারেননি।

"ও আমার দেশের মাটি" কবিতাটি আমাদের দেশের প্রতি ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং দেশের জন্য কাজ করার শিক্ষা দেয়।

৮. ভাষা-অধ্যয়ন

১। স্বরচিহ্ন যোগ হয়ে শব্দের রূপ পরিবর্তন

কবিতায়— বিশ্বময় → বিশ্বময়ী

এভাবে স্বরচিহ্ন যোগ করে আরও কিছু শব্দের রূপ পরিবর্তন করা যায়। যেমন—

নর নারী
দেব দেবী
বালক বালিকা
সেবক সেবিকা

২। বর্ণবিন্যাস

কোনো শব্দকে তার বর্ণ ও স্বরচিহ্ন অনুযায়ী ভেঙে লেখাকে বর্ণবিন্যাস বলা হয়।

উদাহরণ: মৃণাল → ম্ + ঋ + ণ্ + আ + ল্ + অ

৩। নিজের নাম ও বন্ধুর নামের বর্ণবিন্যাস

এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীরা নিজের নাম ও বন্ধুর নাম দিয়ে করবে।

উদাহরণ: রাহুল → র্ + আ + হ্ + উ + ল্ + অ

৪। শব্দগুলো ভেঙে লেখো

শব্দ বর্ণবিন্যাস
বিশ্বময়ীব + ই + শ্ + ব + ম + য্ + ঈ
শ্যামলশ্ + য্ + আ + ম্ + অ + ল্ + অ
মর্মম্ + অ + র্ + ম্ + অ
অন্নঅ + ন্ + ন + অ
আঁচলআঁ+ চ্ + অ + ল্ + অ
বৃথাব্ + ঋ + থ্ + আ
শক্তিশ + ক্ + ত্ + ই
মূর্তিম্ + ঊ + র্ + ত্ + ই
দুঃখদ্ + উ + ঃ + খ্ + অ
গাঁথাগ্ +আঁ+ থ্ + আ

৫। সমার্থক বা প্রতিশব্দ লেখো

শব্দ প্রতিশব্দ
দেহশরীর, কায়া
ঘরগৃহ, বাড়ি
জলপানি, বারি, নীর
মাজননী, মাতা
অন্নখাবার, ভাত

৬। বিপরীত অর্থের শব্দ

শব্দ বিপরীত শব্দ
বিদেশদেশ
বাইরেভিতরে
কঠিননরম
উষ্ণশীতল
মরণজন্ম
সুখদুঃখ
পিঠবুক

৭। বাক্য রচনা

আঁচল: মায়ের আঁচল ধরে ছোট শিশুটি হাঁটছিল।

বিশ্বময়ী: বিশ্বময়ী মায়ের মতো পৃথিবী আমাদের সবাইকে ধারণ করে।

কোমল: ফুলের পাপড়ি খুবই কোমল।

অন্ন: কৃষকের পরিশ্রমে ফলে আমরা অন্ন পাই।

শক্তি: দেশের জন্য কাজ করার শক্তি আমাদের সবার থাকা দরকার।

৮। মিল করো

বাম দিক ডান দিক
যিনি সকলের মাতাবিশ্বমাতা
যিনি শক্তি দেনশক্তিদাতা
যিনি সব সহ্য করেনসর্বংসহা
যার রং সবুজশ্যামলবরণ

৯. জ্ঞান-সম্প্রসারণ

কবিতায় দেশপ্রেমের কথা বলা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো আরও অনেক কবি দেশকে ভালোবেসে কবিতা ও গান লিখেছেন। তাঁদের মধ্যে মুহম্মদ ইকবালের দেশভক্তিমূলক কবিতাও উল্লেখযোগ্য।

পাঠ্যবইয়ের এই অংশে তিনি ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’ কবিতার মাধ্যমে নিজের দেশকে ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছেন। এই কবিতাটির মাধ্যমে কবি মুহাম্মদ ইকবাল ভারতবর্ষের পাহাড়, নদী এবং দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসার কথা বলেছেন।

প্রশ্ন ও উত্তর

(ক) ‘হিন্দুস্তাঁ’ মানে কোন দেশ?

উত্তর: ‘হিন্দুস্তাঁ’ বলতে ভারতবর্ষকে বোঝানো হয়েছে।

(খ) সেই দেশের পর্বতগুলো কেমন?

উত্তর: সেই দেশের পর্বতগুলো খুব উঁচু। দেশের সীমান্তে তারা যেন প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে আছে।

(গ) সেখানে নদীগুলো কোথায় খেলে বেড়ায়?

উত্তর: নদীগুলো এই দেশের কোলে খেলে বেড়ায়। (এখানে দেশ বলতে ভারতবর্ষকে বোঝানো হয়েছে)

(ঘ) এখানে ‘বুলবুল’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: এখানে ‘বুলবুল’ বলতে ভারতবর্ষের সমস্ত অধিবাসী বা দেশবাসীকে বোঝানো হয়েছে।

১০. অসমকে নিয়ে দেশপ্রেম

পাঠের জ্ঞান-সম্প্রসারণ অংশে ড. ভূপেন হাজারিকার ‘অসম আমার রূপহী’ কবিতার কথাও দেওয়া হয়েছে। সেখানে অসমের প্রকৃতি, সবুজ পরিবেশ, পাহাড়, নদী এবং অসমের প্রতি ভালোবাসার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রশ্ন ও উত্তর

(ক) এখানে ‘সূর্য ওঠা দেশ’ বলতে কোন রাজ্যকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: ‘সূর্য ওঠা দেশ’ বলতে অসম (আসাম) রাজ্যকে বোঝানো হয়েছে। (কবিতায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "ভারতের পূর্ব দিশর সূর্য উঠা দেশ", যা ভারতের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত অসমের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভৌগোলিক অবস্থানের কথা তুলে ধরে।)

(খ) কবি এখানে ‘আই’ বলে কাকে সম্বোধন করেছেন?

উত্তর: কবি ‘আই’ বলে অসম মাতৃভূমিকে সম্বোধন করেছেন। (কবিতার প্রারম্ভিক অংশেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, কবি এখানে "আমাদের অসম মাতার গুণগান করে গেছেন"। কবিতায় "ব'হাগতে আমারে আই / মহুরা হৈ ঘুরে" পংক্তির মাধ্যমে কবি অসমের মাটি, প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকে মাতৃরূপে কল্পনা করে তাঁর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।)

১১. প্রকৃতি ও সবুজ পরিবেশ রক্ষা

প্রশ্ন: ‘শ্যামলবরণ কোমল মূর্তি’ অর্থাৎ প্রকৃতির সবুজ পরিবেশ কীভাবে রক্ষা করা যায়?

সহজ উত্তর: গাছপালা আমাদের পরিবেশকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে। তাই বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং অকারণে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে। বন ও জলাশয় রক্ষা করতে হবে এবং বাড়ি, স্কুল এবং রাস্তার পাশে গাছ লাগানো উচিত। এইভাবে, প্রকৃতির সবুজ পরিবেশ রক্ষা করা যায়।

প্রকৃতি পরিষ্কার রাখা, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং গাছের যত্ন নেওয়াও আমাদের দায়িত্ব। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে পরিবেশ আরও সবুজ ও সুন্দর হবে।

১২. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

‘ও আমার দেশের মাটি’ কবিতাটি পড়ার সময় নিচের বিষয়গুলো বিশেষভাবে মনে রাখবে।

১. কবির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২. কবিতার মূল বিষয় দেশের মাটির প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।
৩. দেশের মাটি আমাদের কী দেয়? অন্ন ও শীতল জল দেয়।
৪. দেশের মাটির রূপ কেমন? শ্যামলবরণ ও কোমল।
৫. দেশের মাটিকে কী বলা হয়েছে? মাতার মাতা।
৬. কবির আক্ষেপ কী? দেশের কাছ থেকে অনেক কিছু পেলেও দেশের জন্য যথেষ্ট কিছু করতে না পারার আক্ষেপ কবি কবিতায় প্রকাশ করেছেন।
৭. কবিতার শিক্ষা দেশকে ভালোবাসতে হবে এবং দেশের জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
৮. ভাষা-অধ্যয়নের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বর্ণবিন্যাস, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাক্য রচনা, স্বরচিহ্ন যোগে শব্দের রূপ পরিবর্তন
৯. গুরুত্বপূর্ণ শব্দ বিশ্বময়ী, শ্যামলবরণ, কোমল, অন্ন, আঁচল, শক্তিদাতা, সর্বংসহা।
১০. পরিবেশের শিক্ষা গাছ লাগানো, গাছ রক্ষা করা এবং সবুজ পরিবেশ বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। এই বিষয় নিয়ে আমরা সবাই মিলে কাজ করলে পরিবেশ আরো সবুজ ও সুন্দর হবে।

১৩. প্রকল্প

১। দুটি দেশপ্রেমমূলক কবিতা সংগ্রহ করে শ্রেণিতে শোনাও।

উত্তর: শিক্ষক/শিক্ষয়িত্রীর সাহায্যে দুটি দেশপ্রেমমূলক কবিতা সংগ্রহ করে শ্রেণিতে আবৃত্তি করতে হবে।

২। অসমের বিভিন্ন জাতি-উপজাতির লোকনৃত্যের ছবি সংগ্রহ করে অ্যালবাম তৈরি করো।

উত্তর: শিক্ষক/শিক্ষয়িত্রীর সাহায্যে অসমের বিভিন্ন জাতি-উপজাতির লোকনৃত্যের ছবি সংগ্রহ করে অ্যালবাম তৈরি করতে হবে। ছবির নিচে নৃত্যের নাম, কোন জাতি বা জনগোষ্ঠীর নৃত্য এবং কোন উৎসবের সঙ্গে এটি যুক্ত তা লিখতে হবে।

ছোট্ট উপসংহার

পঞ্চম শ্রেণির বাংলা পাঠ ১ ‘ও আমার দেশের মাটি’ কবিতায় দেশের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে। দেশের মাটি আমাদের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তাই দেশকে ভালোবাসার পাশাপাশি দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্ব।

আশা করি, এই সহজ প্রশ্নোত্তর ও নোট পঞ্চম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে।

শেয়ার করুন:

মন্তব্যসমূহ